bani
আলবার্ট আইনস্টাইন
০১.এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না।
যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে।
০২.পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস;
কিন্তু আপনি যদি ১ টি মাছকে তার গাছ বেয়ে উঠার সামর্থ্যের উপর বিচার করেন তাহলে সে সারা জীবন নিজেকে শুধু অপদার্থই ভেবে যাবে।
০৩.যারা আমাকে সাহায্য করতে মানা করে দিয়েছিল আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
কারন তাদের ‘না’ এর জন্যই আজ আমি নিজের কাজ নিজে করতে শিখেছি।
০৪.সাফল্যের জন্যে নয় বরং সমান্যের জন্যে চেষ্টা কর।
০৫.
স্কুলে যা শেখানো হয়, তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে; তাই হলো শিক্ষা।
০৬.একজন সুন্দর, আকর্ষণীয় রমণীর পাশে ২ ঘণ্টা বসে থাকুন, দেখবেন সময় উড়ে চলে গেছে!!
এবার গ্রীষ্মের গরমের মাঝে রাস্তায় ২ মিনিট হাঁটুন, মনে হবে আপনি অনন্তকাল ধরে হাঁটছেন!!
০৭.আমি সবসময়ই পরীক্ষার বিরোধীতা করি। পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহকে মেরে ফেলে।
শিক্ষার্থীর জীবনে কোন ভাবেই দুইটির বেশি পরীক্ষা দেওয়া উচিত নয়। আমি হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সেমিনার আয়োজন করতাম।
শিক্ষার্থীরা যদি মনোযোগ দিয়ে শুনতো তা হলেই আমি তাদের ডিপ্লোমা দিয়ে দিতাম।
০৮.উৎসর্গকৃত জীবনই হচ্ছে স্বার্থক জীবন।
০৯.ধর্মহীন বিজ্ঞান পঙ্গু আর বিজ্ঞানহীন ধর্ম অন্ধ।
১০.সফল মানুষ হবার চেষ্টা না করে, গুণী মানুষ হবার চেষ্টা কর।
১১.
ভালোবাসায় পতনের জন্য কোনো ভাবেই আমরা মহাকর্ষ-অভিকর্ষকে দায়ী করতে পারি না।
১২.মহৎ ব্যক্তিরা সর্বদাই সংকীর্ণ-ব্যক্তিত্বের অধিকারী মানুষদের নিকট থেকে ভয়ানক বাধার সম্মুখীন হয়।
১৩.সমস্ত কঠিন আর সমস্যার মাঝেই লুকিয়ে থাকে সেরা সুযোগটি।
১৪.আমাদের রহস্যময়তার পরীক্ষণে প্রাপ্ত সবচেয়ে সৌন্দর্যময় জিনিসগুলো হলো শিল্প, বিজ্ঞান এবং বন্ধুত্ব।
১৫.যে কেউ ,যে কখনও ভুল করেনা। সে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে না।
১৬.বোকামি আর প্রতিভার মধ্যে পার্থক্য হল- প্রতিভার সীমা আছে, বোকামির কোন সীমা নেই।
১৭.আপনি যদি অন্যদের অনুসরন করে তাদের সাহায্য নিয়ে চলতে থাকেন তবে হয়তো একদিন তার জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন।
কিন্তু আপনি যদি নিজের পথটা নিজেই তৈরী করে চলেন তাহলে হয়তো এমন এক সাফল্যমন্ডিত যায়গায় পৌঁছাবেন,
যেখানে আজ পর্যন্ত কেউই পৌঁছাতে পারেন নি।
১৮.দেখুন তারের টেলিগ্রাফ হলো একটা অনেক অনেক লম্বা বিড়ালের মতো।
আপনি নিউ ইয়র্কে ওর লেজ ধরে টান দেবেন আর ও লস এঞ্জেলেসে মিউ মিউ করে উঠবে।
আপনি কি এটা বুঝতে পেরেছেন?
আর বেতারও ঠিক এইভাবেই কাজ করে। আপনি এইখানে বসে সিগনাল পাঠাচ্ছেন আর ওরা ওইখানে বসে সেটা গ্রহণ করছে।
শুধু একমাত্র পার্থক্যটা হলো, এখানে কোন বিড়ালই নেই।
১৯.তত্ত্বগতভাবে, তত্ত্বীয় আর ব্যবহারিক দিকটা একই। কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে তারা এক নয়।
২০.একটি টেবিল, চেয়ার, ফল ভরা পাত্র আর একটা বেহালা সুখী হওয়ার জন্য একটা মানুষের আর কী দরকার?
২১.কল্পনা.জ্ঞানের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
২২.আমি চিন্তা করেছি মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। আমার চিন্তাগুলো ৯৯ বারই ভুল হয়েছে তবে শততম বারে আমি সফল হয়েছি।
২৩.মানুষের প্রেমে পড়ার জন্যে মধ্যাকর্ষণ দায়ী নয়।
২৪.ঘটনার সঙ্গে যদি তত্ত্ব না-মেলে তাহলে ঘটনাকে পাল্টাও।
২৫.পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো আয়কর বোঝা।
২৬.একমাত্র মূল্যবান জিনিস হলো প্রজ্ঞা।
২৭.আমি কখনোই ভবিষ্যত নিয়ে ভাবিনি, এটা যথেষ্ট দ্রুত চলে আসে।
২৮.অনেক সময় কেউ কেউ কিছু না পেয়েও সব কিছু দেয়।
২৯.সব কিছু যতোটা সম্ভব সরল করা উচিত, তবে একদম সরল নয়।
৩০.বিজ্ঞান খুব সুন্দর জিনিস যদি এর থেকে কাউকে উপার্জন করতে না হয়।
৩১.তোমার অংকের সমস্যা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করো না, আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমার সমস্যা আরও অনেক বেশি।
৩২.চিন্তাশক্তি করার ক্ষমতা থাকা মেধার শক্তি থেকেও বেশী প্রয়োজনীয়। মেধা সাধারণত সামান্য বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকে।
ডক্টর এ.পি.জে আব্দুল কালাম
০১.সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।
০২.স্বপ্নকে সত্যি করতে হলে প্রথমে তোমাকে স্বপ্ন দেখতে হবে।
০৩.শ্রেষ্ঠত্ব একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।
০৪.জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।
০৫.সাফল্যকে উপভোগ করার জন্যই জীবনে প্রতিবন্ধকতা প্রয়োজন।
০৬.আমাদের তরুণ প্রজন্মকে সমৃদ্ধ এবং নিরাপদ দেশ প্রদান করতে পারলেই তারা আমাদের মনে রাখবে।
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সভ্যতার ঐতিহ্যকে ধরে রাখার মাধ্যমে তা সম্ভব।
০৭.যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।
০৮.সপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।
০৯.আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্ব সুলভ।
যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা দেয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।
১০.যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়,
তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে।
তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।
১১.ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে,
অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে।
এ সকল মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের
প্রতি এই আমার বার্তা।
১২.মানুষের পীঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যায় তখন তার বিস্ফোরন ঘটে।
মহাকবি শেখ সাদী
০১.অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।
০২.অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।
০৩.আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।
০৪.নিজের হাতের উপার্জিত একটি রুটি,অন্যের দয়ায় দেওয়া খোরমা পোলাওয়ের চাইতে ও উত্তম।
০৫.হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নীরিহ হরিনের উপর জুলুম করার নামান্তর।
০৬.যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ট করতে পারেনা।
০৭.প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।
০৮.দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।
০৯.মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।
১০.মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।
১১.দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।
১২.বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মত উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।
১৩.অযোগ্য লোককে দায়িত্ব দেওয়া চরম দায়িত্ব হীনতা ।
১৪.কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না।
১৫.তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।
১৬.না শিখিয়া ওস্তাদি করিও না।
১৭.পথের সম্বল অন্যের হাতে রাখিও না।
১৮.বল অপেক্ষা কৌশল শ্রেষ্ঠ ও কার্যকারী।
১৯.বানরকে স্নেহ করিলে মাথায় উঠে।
২০.বিড়ালকে স্নেহ করিলে কোলে উঠে।
২১.মিথ্যাবাদীর স্বরণশক্তি অধিক।
২২.সকল কাজেই মধ্যপন্থা অবলম্বন করিও।
২৩.একজন ঘুমন্ত ব্যক্তি আর একজন ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগ্রত করতে পারে না ।
২৪.বিদ্যা এমন সম্পদ যা বিতরনে বাড়ে ।
২৫.ভদ্র লোক সেই, যে সত্যের উপাসক ।
২৬.প্রতিশ্রুতি খুব কম দিও । দয়া করবার আগে ন্যায়বান হও ।
এর্নেস্তো চে গুয়েভারা
০১.বিপ্লব তো আর গাছে ধরা আপেল নয় যে পাকবে আর পড়বে, বিপ্লব অর্জন করতে হয়।
০২.নিষ্ঠুর নেতাদের পতন এবং প্রতিস্থাপন চাইলে নতুন নেতৃত্বকেই নিষ্ঠুর হতে হবে।
০৩.নীরবতা একধরনের যুক্তি যা গভীর তথ্য বহন করে।
০৪.আমি জানি তুমি আমাকে হত্যা করতে এসেছো, গুলি করো কাপুরুষ, তুমি শুধু একজন মানুষকেই হত্যা করবে। তার বিপ্লবী চেতনাকে নয়।
০৫.শিক্ষা ব্যবস্থা তৃনমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে গরীব থেকে ধনী একই শিক্ষায় শিক্ষিত হবে, এমন নয় যাদের টাকা আছে শুধু তারাই শিক্ষিত হবে।
০৬.সর্বোপরি, একজন বিপ্লবীকে সবসময় দৃঢ়ভাবে বিশ্বের যেকোন প্রান্তে সংঘটিত যে কোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে।
০৭.মনুষ্য জাতির অভ্যুত্থান বিপ্লবের মাধ্যমে, শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে সময়ের আবর্তে বিপ্লবের শক্তি ক্ষয়ে যায়।
০৮.আমরা কিসের জন্য বাঁচব সেটা আমরা নিশ্চিত হতে পারি না যতক্ষণ না আমরা তার জন্য মরতে প্রস্তুত থাকি।
০৯.সবাই প্রত্যেকদিন চুলে চিরুনি চালায় যাতে চুল সুন্দর পরিপাটি থাকে, কেউ কেনো হৃদয় সুন্দর পরিপাটি রাখে না?
১০.জঘন্য বিপদ জানার পরেও আমায় বিল্পবের রহস্য বলতে দাও,
বিপ্লব সবসময়ই গভীর আবেগ আর ভালোবাসা দ্বারা পরিচালিত হয়, সত্যিকার আবেগ আর ভালোবাসা ছাড়া বিপ্লব অসম্ভব।
১১.বাস্তববাদী হও,’অসম্ভব’কে দাবী কর।
১২.আমি কোনো মুক্তিযোদ্ধা নই, মুক্তিযোদ্ধা বাস্তবে কখনো হয় না যতক্ষণ মানুষ নিজে মুক্তিকামী হয়।
১৩.কিছু ব্যাপার পরিষ্কার,
আমরা চমৎকারভাবে শিখেছি একজন সাধারণ মানুষের জীবন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির সম্পদের চেয়েও লক্ষগুণ বেশি দামী।
১৪.নত হয়ে সারা জীবন বাঁচার চেয়ে আমি এখনই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত।
১৫.যখনি তুমি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠো, তখনি তুমি আমার একজন সহ-যোদ্ধা।
১৬.বিপ্লবী হতে চাও? বিল্পবের প্রথম শর্ত, শিক্ষিত হও।
স্টিভ জবস
০১.সৃজনশীলতা হলো একটা কিছুর সাথে অন্য কিছুর সংযোগ দেওয়ার সক্ষমতা।
আপনি যদি সৃজনশীল কাউকে জিজ্ঞাসা করেন কিভাবে তারা কোন কাজ করে,
তাহলে তারা নিজেকে কিছুটা অপরাধী মনে করে। কারণ প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেরা সেটি করেনি,
তারা কেবলমাত্র সেটি গভীরভাবে দেখেছে। আর কিছু সময় পর সেই কাজটি করা তাদের জন্য অবধারিত হয়ে গেছে।
০২.একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী গোষ্ঠীকে ফোকাস করে পণ্যের ডিজাইন করা সত্যিই কঠিন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না তারা কী চান, যতক্ষণ না তাদের সামনে একটি পণ্য হাজির করা হয়।
০৩.আমার বয়স যখন ১৭ বছর, তখন আমি একটি লেখা পড়েছিলাম যাতে ছিল,
আপনি যদি প্রতিটি দিনকেই জীবনের শেষ দিন মনে করেন, তাহলে আপনি একদিন সত্যি সত্যিই নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে পারবেন।
এই কথাটি আমার মনে দাগ কেটেছিল। আর এরপর থেকেই গত ৩৩ বছর ধরে প্রতি সকালে আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে জিজ্ঞাসা করতাম,
আজই যদি আমার জীবনের শেষ দিন হতো, তাহলে কি আমি সেই কাজগুলোই করতাম যেগুলো আমি আজ করতে চেয়েছি?
নিজেকে করার এই প্রশ্নের জবাবে যদি একটানা কয়েকদিন না উত্তর শুনতাম, তাহলেই ধরে নিতাম যে কিছু ব্যাপার পরিবর্তনের সময় এসেছে।
০৪.আপনার জীবনের একটি বড় অংশ জুড়েই থাকবে আপনার কর্ম এবং যে কাজটি নিজের কাছে সেরা বলে মনে হয়,
সেই কাজটি করতে পারাই হলো আত্মতুষ্টির একমাত্র উপায়।
০৫.বিশ্বের সেরা ধনী হওয়া আমার কাছে মুখ্য বিষয় নয়,
বরঞ্চ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় নিজেকে যেন বলতে পারি যে, হ্যাঁ সত্যিই আমি দারুণ কিছু করেছি’।
০৬.অ্যাপল থেকে চাকুরীচ্যুত হওয়ার ঘটনা ছিল আমার জীবনে ঘটে যাওয়া শ্রেষ্ঠ ঘটনা।
আমার জীবনের সেরা একটি সময়ে প্রবেশের পথ করে দিয়েছিল এই ঘটনাটি।
০৭.অনেক কিছু করার জন্য যেমন আমি গর্বিত, তেমনি অনেক কিছু না করার জন্যও আমি গর্বিত। উদ্ভাবন মানেই হলো হাজারটা জিনিসকে না বলা।
০৮.আমি মনে করি, আপনি যদি কোন কাজ করেন এবং সেটি যদি সত্যিই ভালো কিছু হয়,
তাহলে আপনার উচিত হবে আরও দারুণ কিছু করার জন্য কাজ শুরু করে দেওয়া,
আগেরটি নিয়ে পড়ে থাকার দরকার নেই। শুধু ভাবুন যে এরপর কী করা যায়।
০৯.তোমার সময় খুব সীমিত। এই সীমিত সময়টুকু অন্যের কথা ভেবে বিভোর না থেকে নিজের জন্য কিছু করো। বাঁচার মতো করে বাঁচো।
হুমায়ুন আহমেদ
০১.পৃথিবীতে আসার সময় প্রতিটি মানুষই একটি করে আলাদিনের প্রদীপ নিয়ে আসে।
কিন্তু খুব কম মানুষই সেই প্রদীপ থেকে ঘুমন্ত দৈত্যকে জাগাতে পারে।
০২.এই পৃথিবীতে প্রায় সবাই, তার থেকে বিপরীত স্বভাবের মানুষের সাথে প্রেমে পড়ে।
০৩.সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, কিন্তু তোমাকে এমন একজনকে খুজে নিতে হবে, যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য করতে পারবে।
০৪.বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের ভিতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালবাসাও অসহায় হয়ে পড়ে।
০৫.পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ সম্ভবত কষ্ট পাবার জন্যই জন্মায়। টাকা পয়সার কষ্ট নয়- মানসিক কষ্ট।
০৬.কিছু কিছু মানুষ ভাগ্যকে নিজের হাতে গড়ে, আবার কারো কারো কাছে ভাগ্য আপনি এসে ধরা দেয়!
০৭.কখনো কখনো তোমার মুখটা বন্ধ রাখতে হবে ,মাথাটা নত করতে হবে এবং স্বীকার করে নিতে হবে যে তুমি ভুল।
এর অর্থ তুমি পরাজিত নাও, এর অর্থ তুমি পরিণত এবং শেষ বেলায় জয়ের হাসিটা হাসার জন্ন্য ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
০৮.ভদ্র ছেলেদের জন্য মেয়েদের মনে কখনও প্রেম জাগে না। যা জাগে সেটা হল সহানুভূতি।
০৯.চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে,
ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে।
১০.মানুষ শুধু যে মানুষের কাছ থেকে শিখবে তা না। পশু পাখির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
১১.যে একদিন পড়িয়েছে সে শিক্ষক সারাজীবনই শিক্ষক।
আবার যে একদিন চুরি করেছে সে কিন্তু সারাজীবনই চোর না, তাহলে পৃথিবীর সব মানুষই চোর হত।
১২.একজন মানুষকে সত্যিকারভাবে জানার উপায় হচ্ছে তার স্বপ্নটা জানা।
১৩.বাবা-মা’র প্রথম সন্তান হচ্ছে চমৎকার একটি জীবন্ত খেলনা। এই খেলনার সবই ভালো।
খেলনা যখন হাসে, বা-মা হাসে। খেলনা যখন কাঁদে বাবা-মা’র মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।
১৪.লাজুক ধরনের মানুষ বেশীর ভাগ সময়ই মনের কথা বলতে পারেনা। মনের কথা হড়বড় করে বলতে পারে শুধু মাত্র পাগলরাই।
পাগলরা মনে হয় সেই কারণেই সুখী।
১৫.মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়।
১৬.গভীর প্রেম মানুষকে পুতুল বানিয় দেয়। প্রেমিক প্রেমিকার হাতের পুতুল হন।
কিংবা প্রেমিকা হয় প্রেমিকের পুতুল। দুজন এক সঙ্গে কখনো পুতুল হয় না।
কে পুতুল হবে আর কে হবে সূত্রধর তা নির্ভর করে মানসিক ক্ষমতার উপর।
মানসিক ক্ষমতা যার বেশী তার হাতেই পুতুলের সুতা।
১৭.তুমি একটা খারাপ কাজ করেছো তার মানে তুমি একজন মানুষ,
তুমি সেই খারাপ কাজটার জন্য অনুতপ্ত তার মানে তুমি একজন ভাল মানুষ।
১৮.সব মানুষের জীবনেই অপূর্ণতা থাকবে।
অতি পরিপূর্ণ যে মানুষ তাকে জিজ্ঞেস করলে সে ও অতি দুঃখের সঙ্গে তার অপূর্ণতার কথা বলবে।
অপূর্ণতা থাকে না শুধু বড় বড় সাধক ও মহা পুরুষদের|
১৯.বিরক্তিকর কোনো মানুষ ফ্রড হতে পারে না । পৃথিবী তে ফ্রড মাত্র ই ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হয় ।
২০.বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছুই নেই। কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে।
মন দিয়ে আমরা কখনো তা দেখি না। যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখনি শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়।
২১.কেও কারও মত হতে পারে না। সবাই হয় তার নিজের মত। তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমার চাচার বা বাবার মত হতে পারবে না। সব মানুষই আলাদা।
২২.হাসিতে খুব সহজেই মানুষকে চেনা যায় ।সব মানুষ একই ভঙ্গিতে কাঁদে কিন্তু হাসার সময় একেক জন একেক রকম করে হাসে।
২৩.বড় বোকামিগুলি বুদ্ধিমান মানুষরাই করে।
২৪.বিপদ যখন আসে একটার পর একটা আসে। বিপদরা পাঁচ ভাইবোন। এদের মধ্যে খুব মিল।
এই ভাইবোনরা কখনো একা কারো কাছে যায় না। প্রথম একজন যায়, তারপর তার অন্য ভাইবোনরা উপস্থিত হয়।
২৫.যে ভালোবাসা না চাইতে পাওয়া যায়, তার প্রতি কোনো মোহ থাকে না।
পৃথিবীর বিখ্যাত লোকদের কিছু বিখ্যাত উক্তি
০১.হ্যাঁ এবং না কথা দুটো সবচেয়ে পুরনো এবং সবচেয়ে ছোট।
কিন্তু এ কথা দুটো বলতেই সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয়।
—পীথাগোরাস।
০২.তুমি যদি কোনো লোককে জানতে চাও, তা হলে তাকে প্রথমে ভালবাসতে শেখো।
—লেলিন।
০৩.একজন আহত ব্যক্তি তার যন্ত্রনা যত সহজে ভুলে যায়, একজন অপমানিত ব্যক্তি তত সহজে অপমান ভোলে না।
—জর্জ লিললো।
০৪.বিশ্বাস জীবনকে গতিময়তা দান করে, আর অবিশ্বাস জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।
—মিল্টন।
০৫.স্বপ্নপূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়। তাই বলে, স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয়, তাকে সঙ্গে নিয়ে চলো। স্বপ্ন ছাড়া জীবন অর্থহীন।
—ব্রায়ান ডাইসন।
০৬.জীবনটাকে সার্কাসের মতো কল্পনা করো। মনে করো তুমি সেই সার্কাসের প্রধান নায়ক। মঞ্চে তুমি খেলা দেখাবে।
তোমার হাতে আছে পাঁচটি বল। বলগুলোকে তুমি ক্রমাগত শূন্যে উড়িয়ে আবার হাত দিয়ে ধরছো।
এই পাঁচটি বলকে তুমি তোমার জীবনের কিছু অংশের সাথে মিলিয়ে ফেলো। যেমন ধরো- কাজ, পরিবার, স্বাস্থ্য, বন্ধু এবং প্রাণশক্তি।
—ব্রায়ান ডাইসন।
০৭.নতুন দিনই নতুন চাহিদা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়।
—জন লিভেগেট
০৮.যেখানে পরিশ্রম নেই সেখানে সাফল্যও নেই।
—উইলিয়াম ল্যাংলয়েড।
০৯.যে নিজেকে অক্ষম ভাবে, তাকে কেউ সাহায্য করতে পারে না। ।
—জন এন্ডারসন।
১০.চিন্তা কর বেশি, বল অল্প এবং লেখ তার চেয়েও কম।
—জন রে।
১১.সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা এবং সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেয়া।
—থেলিস।
১২.যে নিজেকে দমন করতে পারে না সে নিজের জন্যেও বিপদজনক এবং অন্য সবার জন্যেও।
—থেলিস।
১৩.আমি বলবনা আমি ১০০০ বার হেরেছি, আমি বলবো যে আমি হারার ১০০০ টি কারণ বের করেছি।
—টমাস আলভা এডিসন।
১৪.যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে।
—ফ্রান্সিস বেকন।
১৫.সত্যকে ভালবাস কিন্তু ভুলকে ক্ষমা কর।
—ভলতেয়ার।
১৬.যে পরিশ্রমী সে অন্যের সহানুভূতির প্রত্যাশী নয়।
—এডমণ্ড বার্ক।
১৭.আমি ব্যর্থতা কে মেনে নিতে পারি কিন্তু আমি চেষ্টা না করাকে মেনে নিতে পারিনা।
—মাইকেল জর্ডান।
১৮.প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপদজনক; কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরো বেশী বিপদজনক।
—আব্রাহাম লিংকন।
১৯.যারা বলে অসম্ভব, অসম্ভব তাদের দুয়ারেই বেশি হানা দেয়।
—জন সার্কল।
২০.আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে।
পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুন্ঠিত হই।
—প্রমথ চৌধুরী।
২১.তোমার বন্ধু হচ্ছে সে, যে তোমার সব খারাপ দিক জানে; তবুও তোমাকে পছন্দ করে।
—অ্যালবার্ট হুবার্ড।
২২.স্কুলে যা শেখানো হয়, তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে; তাই হলো শিক্ষা।
—অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।
২৩.যারা কাপুরুষ তারাই ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকে, পুরুষ চায় নিজের শক্তির দিকে।
তোমার বাহু, তোমার মাথা তোমাকে টেনে তুলবে, তোমার কপাল নয়।
—ডঃ লুৎফর রহমান।
২৪.কাল আমার পরীক্ষা। কিন্তু এটা আমার কাছে বিশেষ কোন ব্যাপারই না,
কারন শুধুমাত্র পরীক্ষার খাতার কয়েকটা পাতাই আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারন করতে পারে না।
—টমাস আলভা এডিসন।
২৫.সবাই অনেকদিন বাঁচতে চায়, কিন্তু কেউই বুড়ো হতে চায় না।
—জোনাথন সুইফট।
২৬.টাকার বিনিময়ে শিক্ষা অর্জনের চেয়ে অশিক্ষিত থাকা ভাল।
—সক্রেটিস।
২৭.জন্মদিনের উৎসব পালন করাটা বোকামি। জীবন থেকে একটা বছর ঝরে গেল, সে জন্যে অনুতাপ করাই উচিত।
—নরম্যান বি.হল।
২৮.যে যেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে সে সেই বিষয়ে শিক্ষিত, কাজেই সবাই শিক্ষিত।
—নেপোলিয়ান।
২৯.যে দৃষ্টির সঙ্গে মনের যোগাযোগ নেই সে তো দেখা নয়, তাকানো।
—যাযাবর।
৩০.সেই যথার্থ মানুষ যে জীবনের পরিবর্তন দেখেছে এবং পরিবর্তনের সাথে নিজেও পরিবর্তিত হয়েছে।
—বায়রন।
৩১.অন্যকে বারবার ক্ষমা কর কিন্তু নিজেকে কখনোই ক্ষমা করিও না।
—সাইরাস।
৩২.যৌবন যার সৎ, সুন্দর ও কর্মময় তার বৃদ্ধ বয়সকে স্বর্ণযুগ বলা হয়।
—জর্জ গ্রসভিল।
৩৩.আমি চলে গেলে যদি কেউ না কাঁদে তবে আমার অস্তিত্বের কোন মূল্য নেই।
—সুইফট।
৩৪.বন্ধুর সাথে এমন ব্যাবহার কর যেন বিচারকের শরণাপন্ন হতে না হয়।
—প্লেটো।
৩৫.অসৎ ব্যক্তি সৎ ব্যক্তির কাজের মধ্যে কোন মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না।
—জন বেকার।
৩৬.আগুন দিয়ে যেমন লোহা চেনা যায় তেমনি মেধা দিয়ে মানুষ চেনা যায়।
—জন এ শেড।
৩৭.সাহস নিয়ে বেঁচে থাকো না হয় মরে যাও।
—মেরিডিথ।
৩৮.যদি তুমি কখনো অপমানিত বোধ কর তবে অপরকে সেটা বুঝতে দেবে না।
—জন বেকার।
৩৯.যে মন খুলে হাসতে পারে না, সেই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী।
—জন লিলি।
৪০.ভালোবাসার জন্য যার পতন হয় সে বিধাতার কাছে আকাশের তারার মত উজ্জ্বল।
—জনসন।
৪১.পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে কুঁড়ে ঘরে থাকাও ভালো, অতৃপ্তি নিয়ে বিরাট অট্টালিকায় থাকার কোন সার্থকতা নেই।
—উলিয়ামস হেডস।
৪২.সেই সত্যিকারের মানুষ যে অন্যের দোষত্রুটি নিজেকে দিয়ে বিবেচনা করতে পারে।
—লর্ড হ্যলি ফক্স।
৪৩.সবার সাথে যে তাল মিলিয়ে কথা বলে সে ব্যক্তিত্বহীন।
—মার্ক টোয়েন।
৪৪.পুরুষের লক্ষ্য রাখা উচিত যত দিন বেশী তারা অবিবাহিত জীবনযাত্রা করতে পারে।
—জর্জ বার্নাডস।
৪৫.যে সহজ সরল জীবনযাপন করে সুখ তার জন্য অত্যন্ত সুলভ্য।
—আলেকজান্ডার।
৪৬.বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন।
—সক্রেটিস।
৪৭.যে সব দৃশ আমরা খুব মন লাগিয়ে দেখতে চাই,
সে সব দৃশ্য কখনো ভালভাবে দেখতে পারি না ,
সেই সব দৃশ্য অতি দ্রুত চোখের সামনে দিয়ে চলে যায়।
—রবার্ট ফ্রস্ট।
৪৮.ভাগ্য বলে কিছুই নেই, প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে উঠে।
—স্কট।
৪৯.মানুষের সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষকই হল মহৎ ব্যক্তিদের আত্নজীবনী ও বাণী ।
—ওরসন স্কোরার ফাউলার।
৫০.বিশ্বাস জীবনকে গতিময়তা দান করে, আর
অবিশ্বাস জীবনকে দুর্বিসহ করে তোলে।
—মিল্টন। আলবার্ট আইনস্টাইন
০১.এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না।
যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে।
০২.পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস;
কিন্তু আপনি যদি ১ টি মাছকে তার গাছ বেয়ে উঠার সামর্থ্যের উপর বিচার করেন তাহলে সে সারা জীবন নিজেকে শুধু অপদার্থই ভেবে যাবে।
০৩.যারা আমাকে সাহায্য করতে মানা করে দিয়েছিল আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
কারন তাদের ‘না’ এর জন্যই আজ আমি নিজের কাজ নিজে করতে শিখেছি।
০৪.সাফল্যের জন্যে নয় বরং সমান্যের জন্যে চেষ্টা কর।
০৫.
স্কুলে যা শেখানো হয়, তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে; তাই হলো শিক্ষা।
০৬.একজন সুন্দর, আকর্ষণীয় রমণীর পাশে ২ ঘণ্টা বসে থাকুন, দেখবেন সময় উড়ে চলে গেছে!!
এবার গ্রীষ্মের গরমের মাঝে রাস্তায় ২ মিনিট হাঁটুন, মনে হবে আপনি অনন্তকাল ধরে হাঁটছেন!!
০৭.আমি সবসময়ই পরীক্ষার বিরোধীতা করি। পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহকে মেরে ফেলে।
শিক্ষার্থীর জীবনে কোন ভাবেই দুইটির বেশি পরীক্ষা দেওয়া উচিত নয়। আমি হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সেমিনার আয়োজন করতাম।
শিক্ষার্থীরা যদি মনোযোগ দিয়ে শুনতো তা হলেই আমি তাদের ডিপ্লোমা দিয়ে দিতাম।
০৮.উৎসর্গকৃত জীবনই হচ্ছে স্বার্থক জীবন।
০৯.ধর্মহীন বিজ্ঞান পঙ্গু আর বিজ্ঞানহীন ধর্ম অন্ধ।
১০.সফল মানুষ হবার চেষ্টা না করে, গুণী মানুষ হবার চেষ্টা কর।
১১.
ভালোবাসায় পতনের জন্য কোনো ভাবেই আমরা মহাকর্ষ-অভিকর্ষকে দায়ী করতে পারি না।
১২.মহৎ ব্যক্তিরা সর্বদাই সংকীর্ণ-ব্যক্তিত্বের অধিকারী মানুষদের নিকট থেকে ভয়ানক বাধার সম্মুখীন হয়।
১৩.সমস্ত কঠিন আর সমস্যার মাঝেই লুকিয়ে থাকে সেরা সুযোগটি।
১৪.আমাদের রহস্যময়তার পরীক্ষণে প্রাপ্ত সবচেয়ে সৌন্দর্যময় জিনিসগুলো হলো শিল্প, বিজ্ঞান এবং বন্ধুত্ব।
১৫.যে কেউ ,যে কখনও ভুল করেনা। সে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে না।
১৬.বোকামি আর প্রতিভার মধ্যে পার্থক্য হল- প্রতিভার সীমা আছে, বোকামির কোন সীমা নেই।
১৭.আপনি যদি অন্যদের অনুসরন করে তাদের সাহায্য নিয়ে চলতে থাকেন তবে হয়তো একদিন তার জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন।
কিন্তু আপনি যদি নিজের পথটা নিজেই তৈরী করে চলেন তাহলে হয়তো এমন এক সাফল্যমন্ডিত যায়গায় পৌঁছাবেন,
যেখানে আজ পর্যন্ত কেউই পৌঁছাতে পারেন নি।
১৮.দেখুন তারের টেলিগ্রাফ হলো একটা অনেক অনেক লম্বা বিড়ালের মতো।
আপনি নিউ ইয়র্কে ওর লেজ ধরে টান দেবেন আর ও লস এঞ্জেলেসে মিউ মিউ করে উঠবে।
আপনি কি এটা বুঝতে পেরেছেন?
আর বেতারও ঠিক এইভাবেই কাজ করে। আপনি এইখানে বসে সিগনাল পাঠাচ্ছেন আর ওরা ওইখানে বসে সেটা গ্রহণ করছে।
শুধু একমাত্র পার্থক্যটা হলো, এখানে কোন বিড়ালই নেই।
১৯.তত্ত্বগতভাবে, তত্ত্বীয় আর ব্যবহারিক দিকটা একই। কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে তারা এক নয়।
২০.একটি টেবিল, চেয়ার, ফল ভরা পাত্র আর একটা বেহালা সুখী হওয়ার জন্য একটা মানুষের আর কী দরকার?
২১.কল্পনা.জ্ঞানের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
২২.আমি চিন্তা করেছি মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। আমার চিন্তাগুলো ৯৯ বারই ভুল হয়েছে তবে শততম বারে আমি সফল হয়েছি।
২৩.মানুষের প্রেমে পড়ার জন্যে মধ্যাকর্ষণ দায়ী নয়।
২৪.ঘটনার সঙ্গে যদি তত্ত্ব না-মেলে তাহলে ঘটনাকে পাল্টাও।
২৫.পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো আয়কর বোঝা।
২৬.একমাত্র মূল্যবান জিনিস হলো প্রজ্ঞা।
২৭.আমি কখনোই ভবিষ্যত নিয়ে ভাবিনি, এটা যথেষ্ট দ্রুত চলে আসে।
২৮.অনেক সময় কেউ কেউ কিছু না পেয়েও সব কিছু দেয়।
২৯.সব কিছু যতোটা সম্ভব সরল করা উচিত, তবে একদম সরল নয়।
৩০.বিজ্ঞান খুব সুন্দর জিনিস যদি এর থেকে কাউকে উপার্জন করতে না হয়।
৩১.তোমার অংকের সমস্যা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করো না, আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমার সমস্যা আরও অনেক বেশি।
৩২.চিন্তাশক্তি করার ক্ষমতা থাকা মেধার শক্তি থেকেও বেশী প্রয়োজনীয়। মেধা সাধারণত সামান্য বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকে। ডক্টর এ.পি.জে আব্দুল কালাম
০১.সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।
০২.স্বপ্নকে সত্যি করতে হলে প্রথমে তোমাকে স্বপ্ন দেখতে হবে।
০৩.শ্রেষ্ঠত্ব একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।
০৪.জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।
০৫.সাফল্যকে উপভোগ করার জন্যই জীবনে প্রতিবন্ধকতা প্রয়োজন।
০৬.আমাদের তরুণ প্রজন্মকে সমৃদ্ধ এবং নিরাপদ দেশ প্রদান করতে পারলেই তারা আমাদের মনে রাখবে।
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সভ্যতার ঐতিহ্যকে ধরে রাখার মাধ্যমে তা সম্ভব।
০৭.যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।
০৮.সপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।
০৯.আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্ব সুলভ।
যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা দেয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।
১০.যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়,
তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে।
তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।
১১.ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে,
অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে।
এ সকল মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের
প্রতি এই আমার বার্তা।
১২.মানুষের পীঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যায় তখন তার বিস্ফোরন ঘটে। মহাকবি শেখ সাদী
০১.অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।
০২.অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।
০৩.আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।
০৪.নিজের হাতের উপার্জিত একটি রুটি,অন্যের দয়ায় দেওয়া খোরমা পোলাওয়ের চাইতে ও উত্তম।
০৫.হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নীরিহ হরিনের উপর জুলুম করার নামান্তর।
০৬.যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ট করতে পারেনা।
০৭.প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।
০৮.দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।
০৯.মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।
১০.মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।
১১.দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।
১২.বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মত উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।
১৩.অযোগ্য লোককে দায়িত্ব দেওয়া চরম দায়িত্ব হীনতা ।
১৪.কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না।
১৫.তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।
১৬.না শিখিয়া ওস্তাদি করিও না।
১৭.পথের সম্বল অন্যের হাতে রাখিও না।
১৮.বল অপেক্ষা কৌশল শ্রেষ্ঠ ও কার্যকারী।
১৯.বানরকে স্নেহ করিলে মাথায় উঠে।
২০.বিড়ালকে স্নেহ করিলে কোলে উঠে।
২১.মিথ্যাবাদীর স্বরণশক্তি অধিক।
২২.সকল কাজেই মধ্যপন্থা অবলম্বন করিও।
২৩.একজন ঘুমন্ত ব্যক্তি আর একজন ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগ্রত করতে পারে না ।
২৪.বিদ্যা এমন সম্পদ যা বিতরনে বাড়ে ।
২৫.ভদ্র লোক সেই, যে সত্যের উপাসক ।
২৬.প্রতিশ্রুতি খুব কম দিও । দয়া করবার আগে ন্যায়বান হও । এর্নেস্তো চে গুয়েভারা
০১.বিপ্লব তো আর গাছে ধরা আপেল নয় যে পাকবে আর পড়বে, বিপ্লব অর্জন করতে হয়।
০২.নিষ্ঠুর নেতাদের পতন এবং প্রতিস্থাপন চাইলে নতুন নেতৃত্বকেই নিষ্ঠুর হতে হবে।
০৩.নীরবতা একধরনের যুক্তি যা গভীর তথ্য বহন করে।
০৪.আমি জানি তুমি আমাকে হত্যা করতে এসেছো, গুলি করো কাপুরুষ, তুমি শুধু একজন মানুষকেই হত্যা করবে। তার বিপ্লবী চেতনাকে নয়।
০৫.শিক্ষা ব্যবস্থা তৃনমূল পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে গরীব থেকে ধনী একই শিক্ষায় শিক্ষিত হবে, এমন নয় যাদের টাকা আছে শুধু তারাই শিক্ষিত হবে।
০৬.সর্বোপরি, একজন বিপ্লবীকে সবসময় দৃঢ়ভাবে বিশ্বের যেকোন প্রান্তে সংঘটিত যে কোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে।
০৭.মনুষ্য জাতির অভ্যুত্থান বিপ্লবের মাধ্যমে, শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে সময়ের আবর্তে বিপ্লবের শক্তি ক্ষয়ে যায়।
০৮.আমরা কিসের জন্য বাঁচব সেটা আমরা নিশ্চিত হতে পারি না যতক্ষণ না আমরা তার জন্য মরতে প্রস্তুত থাকি।
০৯.সবাই প্রত্যেকদিন চুলে চিরুনি চালায় যাতে চুল সুন্দর পরিপাটি থাকে, কেউ কেনো হৃদয় সুন্দর পরিপাটি রাখে না?
১০.জঘন্য বিপদ জানার পরেও আমায় বিল্পবের রহস্য বলতে দাও,
বিপ্লব সবসময়ই গভীর আবেগ আর ভালোবাসা দ্বারা পরিচালিত হয়, সত্যিকার আবেগ আর ভালোবাসা ছাড়া বিপ্লব অসম্ভব।
১১.বাস্তববাদী হও,’অসম্ভব’কে দাবী কর।
১২.আমি কোনো মুক্তিযোদ্ধা নই, মুক্তিযোদ্ধা বাস্তবে কখনো হয় না যতক্ষণ মানুষ নিজে মুক্তিকামী হয়।
১৩.কিছু ব্যাপার পরিষ্কার,
আমরা চমৎকারভাবে শিখেছি একজন সাধারণ মানুষের জীবন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির সম্পদের চেয়েও লক্ষগুণ বেশি দামী।
১৪.নত হয়ে সারা জীবন বাঁচার চেয়ে আমি এখনই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত।
১৫.যখনি তুমি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠো, তখনি তুমি আমার একজন সহ-যোদ্ধা।
১৬.বিপ্লবী হতে চাও? বিল্পবের প্রথম শর্ত, শিক্ষিত হও। স্টিভ জবস
০১.সৃজনশীলতা হলো একটা কিছুর সাথে অন্য কিছুর সংযোগ দেওয়ার সক্ষমতা।
আপনি যদি সৃজনশীল কাউকে জিজ্ঞাসা করেন কিভাবে তারা কোন কাজ করে,
তাহলে তারা নিজেকে কিছুটা অপরাধী মনে করে। কারণ প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেরা সেটি করেনি,
তারা কেবলমাত্র সেটি গভীরভাবে দেখেছে। আর কিছু সময় পর সেই কাজটি করা তাদের জন্য অবধারিত হয়ে গেছে।
০২.একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী গোষ্ঠীকে ফোকাস করে পণ্যের ডিজাইন করা সত্যিই কঠিন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না তারা কী চান, যতক্ষণ না তাদের সামনে একটি পণ্য হাজির করা হয়।
০৩.আমার বয়স যখন ১৭ বছর, তখন আমি একটি লেখা পড়েছিলাম যাতে ছিল,
আপনি যদি প্রতিটি দিনকেই জীবনের শেষ দিন মনে করেন, তাহলে আপনি একদিন সত্যি সত্যিই নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে পারবেন।
এই কথাটি আমার মনে দাগ কেটেছিল। আর এরপর থেকেই গত ৩৩ বছর ধরে প্রতি সকালে আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে জিজ্ঞাসা করতাম,
আজই যদি আমার জীবনের শেষ দিন হতো, তাহলে কি আমি সেই কাজগুলোই করতাম যেগুলো আমি আজ করতে চেয়েছি?
নিজেকে করার এই প্রশ্নের জবাবে যদি একটানা কয়েকদিন না উত্তর শুনতাম, তাহলেই ধরে নিতাম যে কিছু ব্যাপার পরিবর্তনের সময় এসেছে।
০৪.আপনার জীবনের একটি বড় অংশ জুড়েই থাকবে আপনার কর্ম এবং যে কাজটি নিজের কাছে সেরা বলে মনে হয়,
সেই কাজটি করতে পারাই হলো আত্মতুষ্টির একমাত্র উপায়।
০৫.বিশ্বের সেরা ধনী হওয়া আমার কাছে মুখ্য বিষয় নয়,
বরঞ্চ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় নিজেকে যেন বলতে পারি যে, হ্যাঁ সত্যিই আমি দারুণ কিছু করেছি’।
০৬.অ্যাপল থেকে চাকুরীচ্যুত হওয়ার ঘটনা ছিল আমার জীবনে ঘটে যাওয়া শ্রেষ্ঠ ঘটনা।
আমার জীবনের সেরা একটি সময়ে প্রবেশের পথ করে দিয়েছিল এই ঘটনাটি।
০৭.অনেক কিছু করার জন্য যেমন আমি গর্বিত, তেমনি অনেক কিছু না করার জন্যও আমি গর্বিত। উদ্ভাবন মানেই হলো হাজারটা জিনিসকে না বলা।
০৮.আমি মনে করি, আপনি যদি কোন কাজ করেন এবং সেটি যদি সত্যিই ভালো কিছু হয়,
তাহলে আপনার উচিত হবে আরও দারুণ কিছু করার জন্য কাজ শুরু করে দেওয়া,
আগেরটি নিয়ে পড়ে থাকার দরকার নেই। শুধু ভাবুন যে এরপর কী করা যায়।
০৯.তোমার সময় খুব সীমিত। এই সীমিত সময়টুকু অন্যের কথা ভেবে বিভোর না থেকে নিজের জন্য কিছু করো। বাঁচার মতো করে বাঁচো। হুমায়ুন আহমেদ
০১.পৃথিবীতে আসার সময় প্রতিটি মানুষই একটি করে আলাদিনের প্রদীপ নিয়ে আসে।
কিন্তু খুব কম মানুষই সেই প্রদীপ থেকে ঘুমন্ত দৈত্যকে জাগাতে পারে।
০২.এই পৃথিবীতে প্রায় সবাই, তার থেকে বিপরীত স্বভাবের মানুষের সাথে প্রেমে পড়ে।
০৩.সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, কিন্তু তোমাকে এমন একজনকে খুজে নিতে হবে, যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য করতে পারবে।
০৪.বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের ভিতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালবাসাও অসহায় হয়ে পড়ে।
০৫.পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ সম্ভবত কষ্ট পাবার জন্যই জন্মায়। টাকা পয়সার কষ্ট নয়- মানসিক কষ্ট।
০৬.কিছু কিছু মানুষ ভাগ্যকে নিজের হাতে গড়ে, আবার কারো কারো কাছে ভাগ্য আপনি এসে ধরা দেয়!
০৭.কখনো কখনো তোমার মুখটা বন্ধ রাখতে হবে ,মাথাটা নত করতে হবে এবং স্বীকার করে নিতে হবে যে তুমি ভুল।
এর অর্থ তুমি পরাজিত নাও, এর অর্থ তুমি পরিণত এবং শেষ বেলায় জয়ের হাসিটা হাসার জন্ন্য ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
০৮.ভদ্র ছেলেদের জন্য মেয়েদের মনে কখনও প্রেম জাগে না। যা জাগে সেটা হল সহানুভূতি।
০৯.চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে,
ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে।
১০.মানুষ শুধু যে মানুষের কাছ থেকে শিখবে তা না। পশু পাখির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
১১.যে একদিন পড়িয়েছে সে শিক্ষক সারাজীবনই শিক্ষক।
আবার যে একদিন চুরি করেছে সে কিন্তু সারাজীবনই চোর না, তাহলে পৃথিবীর সব মানুষই চোর হত।
১২.একজন মানুষকে সত্যিকারভাবে জানার উপায় হচ্ছে তার স্বপ্নটা জানা।
১৩.বাবা-মা’র প্রথম সন্তান হচ্ছে চমৎকার একটি জীবন্ত খেলনা। এই খেলনার সবই ভালো।
খেলনা যখন হাসে, বা-মা হাসে। খেলনা যখন কাঁদে বাবা-মা’র মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।
১৪.লাজুক ধরনের মানুষ বেশীর ভাগ সময়ই মনের কথা বলতে পারেনা। মনের কথা হড়বড় করে বলতে পারে শুধু মাত্র পাগলরাই।
পাগলরা মনে হয় সেই কারণেই সুখী।
১৫.মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়।
১৬.গভীর প্রেম মানুষকে পুতুল বানিয় দেয়। প্রেমিক প্রেমিকার হাতের পুতুল হন।
কিংবা প্রেমিকা হয় প্রেমিকের পুতুল। দুজন এক সঙ্গে কখনো পুতুল হয় না।
কে পুতুল হবে আর কে হবে সূত্রধর তা নির্ভর করে মানসিক ক্ষমতার উপর।
মানসিক ক্ষমতা যার বেশী তার হাতেই পুতুলের সুতা।
১৭.তুমি একটা খারাপ কাজ করেছো তার মানে তুমি একজন মানুষ,
তুমি সেই খারাপ কাজটার জন্য অনুতপ্ত তার মানে তুমি একজন ভাল মানুষ।
১৮.সব মানুষের জীবনেই অপূর্ণতা থাকবে।
অতি পরিপূর্ণ যে মানুষ তাকে জিজ্ঞেস করলে সে ও অতি দুঃখের সঙ্গে তার অপূর্ণতার কথা বলবে।
অপূর্ণতা থাকে না শুধু বড় বড় সাধক ও মহা পুরুষদের|
১৯.বিরক্তিকর কোনো মানুষ ফ্রড হতে পারে না । পৃথিবী তে ফ্রড মাত্র ই ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হয় ।
২০.বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছুই নেই। কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে।
মন দিয়ে আমরা কখনো তা দেখি না। যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখনি শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়।
২১.কেও কারও মত হতে পারে না। সবাই হয় তার নিজের মত। তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমার চাচার বা বাবার মত হতে পারবে না। সব মানুষই আলাদা।
২২.হাসিতে খুব সহজেই মানুষকে চেনা যায় ।সব মানুষ একই ভঙ্গিতে কাঁদে কিন্তু হাসার সময় একেক জন একেক রকম করে হাসে।
২৩.বড় বোকামিগুলি বুদ্ধিমান মানুষরাই করে।
২৪.বিপদ যখন আসে একটার পর একটা আসে। বিপদরা পাঁচ ভাইবোন। এদের মধ্যে খুব মিল।
এই ভাইবোনরা কখনো একা কারো কাছে যায় না। প্রথম একজন যায়, তারপর তার অন্য ভাইবোনরা উপস্থিত হয়।
২৫.যে ভালোবাসা না চাইতে পাওয়া যায়, তার প্রতি কোনো মোহ থাকে না।
স্টিভ জবস
০১.সৃজনশীলতা হলো একটা কিছুর সাথে অন্য কিছুর সংযোগ দেওয়ার সক্ষমতা।
আপনি যদি সৃজনশীল কাউকে জিজ্ঞাসা করেন কিভাবে তারা কোন কাজ করে,
তাহলে তারা নিজেকে কিছুটা অপরাধী মনে করে। কারণ প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেরা সেটি করেনি,
তারা কেবলমাত্র সেটি গভীরভাবে দেখেছে। আর কিছু সময় পর সেই কাজটি করা তাদের জন্য অবধারিত হয়ে গেছে।
০২.একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী গোষ্ঠীকে ফোকাস করে পণ্যের ডিজাইন করা সত্যিই কঠিন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না তারা কী চান, যতক্ষণ না তাদের সামনে একটি পণ্য হাজির করা হয়।
০৩.আমার বয়স যখন ১৭ বছর, তখন আমি একটি লেখা পড়েছিলাম যাতে ছিল,
আপনি যদি প্রতিটি দিনকেই জীবনের শেষ দিন মনে করেন, তাহলে আপনি একদিন সত্যি সত্যিই নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে পারবেন।
এই কথাটি আমার মনে দাগ কেটেছিল। আর এরপর থেকেই গত ৩৩ বছর ধরে প্রতি সকালে আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে জিজ্ঞাসা করতাম,
আজই যদি আমার জীবনের শেষ দিন হতো, তাহলে কি আমি সেই কাজগুলোই করতাম যেগুলো আমি আজ করতে চেয়েছি?
নিজেকে করার এই প্রশ্নের জবাবে যদি একটানা কয়েকদিন না উত্তর শুনতাম, তাহলেই ধরে নিতাম যে কিছু ব্যাপার পরিবর্তনের সময় এসেছে।
০৪.আপনার জীবনের একটি বড় অংশ জুড়েই থাকবে আপনার কর্ম এবং যে কাজটি নিজের কাছে সেরা বলে মনে হয়,
সেই কাজটি করতে পারাই হলো আত্মতুষ্টির একমাত্র উপায়।
০৫.বিশ্বের সেরা ধনী হওয়া আমার কাছে মুখ্য বিষয় নয়,
বরঞ্চ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় নিজেকে যেন বলতে পারি যে, হ্যাঁ সত্যিই আমি দারুণ কিছু করেছি’।
০৬.অ্যাপল থেকে চাকুরীচ্যুত হওয়ার ঘটনা ছিল আমার জীবনে ঘটে যাওয়া শ্রেষ্ঠ ঘটনা।
আমার জীবনের সেরা একটি সময়ে প্রবেশের পথ করে দিয়েছিল এই ঘটনাটি।
০৭.অনেক কিছু করার জন্য যেমন আমি গর্বিত, তেমনি অনেক কিছু না করার জন্যও আমি গর্বিত। উদ্ভাবন মানেই হলো হাজারটা জিনিসকে না বলা।
০৮.আমি মনে করি, আপনি যদি কোন কাজ করেন এবং সেটি যদি সত্যিই ভালো কিছু হয়,
তাহলে আপনার উচিত হবে আরও দারুণ কিছু করার জন্য কাজ শুরু করে দেওয়া,
আগেরটি নিয়ে পড়ে থাকার দরকার নেই। শুধু ভাবুন যে এরপর কী করা যায়।
০৯.তোমার সময় খুব সীমিত। এই সীমিত সময়টুকু অন্যের কথা ভেবে বিভোর না থেকে নিজের জন্য কিছু করো। বাঁচার মতো করে বাঁচো।
– পৃথিবীর সব মানুষ অসাধারন হয়ে বেঁচে থাকতে চায় বলেই হয়ত সাধারন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাটা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে।
– মাঝেমাঝে এমনও হয় যে, হুট করে মরে যাওয়ার চিন্তা নিয়ে ভীষণভাবে বাঁচতে ইচ্ছা করে।
– মুখে মধু আর বুকে বিষ নিয়ে যারা ঘুরে বেড়ায় তারা কোনদিনও কারোর বন্ধু হতে পারে না।
– শেষ রাতের প্রার্থনা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ুক ” ভাল থাক তোমরা সব চেনা মানুষ -সাথে অচেনারাও” !
– মন শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেলে – বাকি জীবন পুড়েপুড়ে কাটাতে হয় ।
নেমে এলো তবে ঝড় উড়ে গেলো শহরের আঁধার আচল উন্মুক্ত মাতাল শহরে ধুলো ওড়ে উড়ে যায় ঘামে জবজব যুবকের পোষা কাঁদাখোচা...বিনে পয়সার পাখি।
জলে ভেসে তবে এসেছি নগরে সম্বিত ফেরার পর ছবি দেখে চিনে নেয়া যাবে এই ভেবে মুখ গুজে রেখেছি আঁধারে কখন ধাতস্থ হবো নাগরিক চালাকিতে কখন শিখে নেবো শহুরে বাবুয়ানা সব বলে পথ নির্দেশনা দেবে বিদেশী ইন্সট্রাক্টর।
ওরা নাকি আমাদের চেয়ে পথ ঘাট ভালো চিনে আর তাই সম্বিত বিষয়ে যেসব ধারণা ছিলো ভুলে গেছি... মাটিতে বিছানো অন্ধকারে চোখ রেখে ভাবি, পীচ ঢালা পথ আর পাথরে বিশ্বাস রাখতে জানলে আমিও নগর বাউলের সাজে, নিয়নের তীর দেখে পৌছে যেতে পারতাম লক্ষ্যের কাছাকাছি...
রুপালী জ্যোছনা বিভ্রান্তি ছড়ায়, অযত্নের অসমান পথ আমাদের পাতি রসায়নে যেনো মসৃণতা হয়ে ধরা দেয় হোচট খেয়েছি যতোবার, ততোবার বিলা খাই পথে, কখনো বা চাঁদের উপর...শহুরে হুংকারে শাপশাপান্ত করেছি তাহাদের, নিজেদের চোখ অথবা মনন নিরাপদ হেফাজতে রেখে।
অপেক্ষার সময়টাতে অনেক গাছপালা মেলে দেই, কল্পনার সীমানা পেরিয়ে ঢুকে যাই অনধিকারে, তাই বলে ভেবে বসো না যে সেসব আমার সত্যি সত্যি চাই। আমি তখন পাহাড় চূড়ায় গড়েছি ছোট্ট লগ কেবিনটারে। তার ব্যালকনিতে ঝুলিয়ে দেয়া দোলনায় দোল খেতে খেতে সুগন্ধি চায়ের কাপে চুমুক আলতো করে। তোমাকেও নিয়ে যাই কখনো সখনো... তুমি তরমুজ কেটেছো হীরক ছুড়িতে। হঠাৎ আঙুলে লাল রেখা ভেসে উঠলে বুঝি কেটে গেছে...জীবনের তাল-স্বপ্নের বিভ্রান্ত বলিরেখা।
এসব আমার প্রত্যাশার তালিকায় ছিলো না কখনো, সত্যি করে এসব চাহিদা থাকলে আমি হয়তো পাহাড়ের কাছে মিনতি জানিয়ে একদিনের জন্য তারে আমার করে নিতাম, একদিনের জন্য হলেও টম কাকার সাদাঘরটাকে ধার চাইতাম... একদিনের জন্য হলেও তোমার পাশে বসে থাকতাম ব্যর্থ বিড়ালের মতো।
শৈশবে কুড়িয়ে পাওয়া কড়িটার গায়ে অন্য কারো নাম লেখা ছিলো... তবুও কেনো জানি একেবারে একান্ত নিজের বলে আগলে রেখেছি তারে। সেই হারানো কড়িটা যার ছিলো সেও কি ভাবেনি কড়িটার কথা আমার মতোই!
ভোরের বাতাস কেমন আনমনা কাঁধ ছুঁয়ে যায় চমকে উঠে পেছনে তাকিয়ে দেখি, দূরত্ব বেড়েছে দ্বিগুনের বেশি... খিল খিল করে হেসে ফেলে কেউ; শব্দটাকে চেনা মনে হলেও সতর্ক জেনে গেছি ভাবনার সীমানা ডিঙিয়ে কখনো আসেনা রেলগাড়ি।
ঝড়ো বালুকনা তবে ঝরে যাক; বৃষ্টির বিলাসী পতনে বাজুক পুরোন দিনের সব কথা তবে...
ফিরে আসতে বলবোনা চাকারে! তবে থেমে যাবে সভ্যতা-এগিয়ে যাওয়া... আমিই না হয় গিয়ে দাঁড়ালাম তার পাশে না হয় দৌড়তে থাকি সভ্যতার গতিপথে, অনায়াসে।
পথের গা থেকে ঘামের গন্ধ ওঠে নতুন ধানের মতো; এমন শুকানো ত্বক কখন কিভাবে স্বেদসিক্ত হলো ভেবে এই বেলাটা কাটিয়ে দেই, রাত পেরিয়ে ভোরের আলো এসে থমকে দাঁড়ালে না হয় জানালাটা খুলে দেয়া যাবে। জানালার সাথে কপাটের কি সম্পর্ক লেখা আছে? কাজলে কাজলে খুঁজে আমি কেবল জলের কথা জেনেছি-মেনেছি...জানা বোঝা বলে আসলে কখনো কিছু থাকে না জীবনে, সবটাই মেনে নেয়া নিয়মের ব্যর্থ অথবা সফল ছায়াছবি। কেউ কেউ তারে নিয়তি বলেছে... আঙুলে ছুঁয়েছি জল...প্রার্থনার প্রহরে তোমারে এনে দেবে তার স্রোতধারা। নদীর এপারে বসে আমি তারা গুনি-ঢেউ গুনি-জলপিপি গুনতে গুনতে মনে হয় ডুবে গেলে তুমি আবার ওপারে ফিরে যাবে...সাতার কি ভুলে গেছো?
পথ ভুলে পড়ে আছি গুলশানে কোথাও যাবার কথা ছিলো সেই কবে থেকে কোনো এক সনাতন গাছ কালীর ছায়ায় ঝড়-বৃষ্টি-রোদ্দুরের স্মৃতি ভুলে কাটিয়ে দেবার কথা ছিলো জলমহাল আর নোনা জল ভালোবেসে, অথচ অবিবেচক পড়ে আছি পথ ভুলে গুলশানে শহরের সকল ঝা চকচকে দেয়ালে দেয়ালে ঘেরা গোলকধাঁধাঁর দিক খুঁজে পেতে ঘাম ঝরে; তবু পথ মুখ বের করে করুনারে দেখা দেয় নাই...
আমি কি পোকার মতো ঢুকে যেতে চাই! তারপর ঘরের গন্ধ পাল্টে দিয়ে নিজের খুশিতে ভেবে নিতে পারি ঘরখানা আমার? সে যদি নিজের ঘরে ছুঁয়ে থাকে অন্য কোনো দুঃখ আমি বরং অপেক্ষা করি দূরে থেকে কখনো সুযোগ মিলে গেলে দুঃখের কিছুটা ভাগ চেয়ে নেয়া যাবে;
না ঘুমানোর আয়োজনে বিছানা সাজাই; তারপর রাতভর কিলবিল পোকার মতোন আলোর রেখায় এবাড়ি-ওবাড়ি...
সূর্য্যটাকে ডুবে যেতে দেখলেই কেমন অসহায় লাগে। মনে হয় ঘরে ফিরে যেতে হবে। ঘর মানে বেকার বিছানা, ঘামে আর ঘুমে মিলেমিশে কাদা খোঁচা; যেখানে অনেক ফুটপ্রিন্ট ফুটে থাকে... পরিচয়হীন সব পায়েরা কখনো চলে গেছে কাদা পার হয়ে দূর ইতিহাসে।
দেয়ালে ঠেকেছে পিঠ, তাহলে দেয়াল বনে যাই পেছনে ছুটছিলো যারা, তারা এসে ফিরে যাবে আমায় না পেয়ে। কেউ কখনো দেয়াল খুঁজে বেড়িয়ে সময় নষ্ট করতে চায় না; দেয়াল বাঁধায় আটকে পড়া শিকারের খোঁজে কেউ আসে, কেউ আসে দেয়ালের ওপারে কল্পিত পথ যদি পাওয়া যায় টপকে গেলে, এই ভাবনায়...
যেহেতু বৃষ্টির দেখা নাই তাই মেঘ দেখে দেখে ভাবি একদিন জলের উচ্ছ্বাসে মুখ রেখে স্বপ্নপূরণ করে নেয়া যাবে, দেখো!
সরীসৃপের মতোন ঠাণ্ডা তোমাকে জড়িয়ে ঘুম দেয়া যেতো এই গরমের রাতে...
সন্ধ্যা কাটানোর জন্য মানুষের খোঁজে নামার মতোন বিরক্তিকর বয়সে পৌছে যেতে হয় ধীরে ধীরে মানুষেরা খুব বেশি খুঁজবেনা ব্যস্ততাকে... তার চেয়ে ভালো ব্যস্ত না থাকার অভিনয়, নিজেকে সুলভ করে দেয়া...
পাগলের ছাড়া আর কারো পায়ে বেড়ি পরানো দেখিনি। আমাদের পায়ে বেড়ি নেই! বেড়ি নেই! তবুও আমরা শহরের গণ্ডী ছাড়িয়ে কখনো অন্য কোথাও যাবার অধিকার রাখি নাই যেনো। পাগলটারে আটকে রাখা হয় চার দেয়ালের ঘরে আমরা আটকে আছি শহরের সীমানায় তার উপর রাতের বেলা সীমানার চিহ্ন খালি চোখে দেখা যায় না...ইনফ্রারেড চশমায় ভিন রঙা শহরের প্রান্তরেখা।
I am jailed in rain... afraid of losing datas. if I had a raincoat it would be a matter of time to break the prison and get out of this terrible alienation, the luxury of being alone...
– যে মানুষ বাতাসের বিপরীতে ঘুড়ি উড়িয়ে পার করে দেয় তার সোনালি সাঝবেলা, সে মানুষ কারোর পোষ মানে না।
– চারদিকের অস্হিরতা মাঝেমাঝে বেঁচে থাকার আনন্দটা ধুলিমাটি করে দেয় !
– যারা নিজের চোখের পর্দা না করে মেয়েদের পর্দা করতে বলে তারা হল হেপোক্রেট। আর যারা মেয়ারা পর্দা করতে দেখে সেটা নিয়ে ব্যঙ্গ করে তারা হল পার্ভাট।
– একটা মিথ্যা বললে দশটা মিথ্যা বলতে হয়। তবে এই দশটার মাঝখানে যদি বাইচান্স একটা সত্য ঢুকে যায় তাহলে কিন্তু প্যাঁচ লেগে যাবে! তাই খেয়াল করিয়া
– আমরা সবাই যদি আমাদের প্রত্যেকের নিজেদের জীবনের গল্প নিজেরা লিখে যেতে পারতাম তাহলে হয়ত নাটক সিনেমা উপন্যাসের জন্য আলাদা করে বানিয়ে বানিয়ে গল্প লেখার আর দরকার পড়ত না।
– আজকে দুইটা প্রশ্ন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে ১- প্রাকৃতিক দৃর্যোগের নাম মেয়েদের নামে হয় কেন? ২- মানুষ মৃত্যুর মত একটা স্বাভাবিক জিনিসকে এত ভয় পায় কেন?
– জীবনটা আসলেই সুন্দর, তারচেয়ে বেশি সুন্দর বেঁচে থাকা । তাইতো কবি যথার্ত বলেছেন – মরিতে চাহিনা আমি এই সুন্দর ভুবনে ।
– ধনী গরীব সবার জন্য সব উৎসব সমানভাবে আসে। তাই আমাদের সবার উচিৎ যার যার অবস্হান থেকে যার যার মত করে উৎসবকে এনজয় করা
– কয়লা ধুইলে কয়লার ময়লা যাবেনা ঠিকই কিন্তু কয়লা ক্ষয়েক্ষয়ে নিঃশেষ হওয়ার সুযোগ থাকে। আর আমাদের সবার সে সুযোগটা নেয়া উচিত।
– কিছু তথাকথিত প্রগতিশীল আছেন যারা সবকিছুতেই ধর্মের দোষ খুঁজে বেড়ান। গোঁড়া কাঠমোল্লা এবং সেসব প্রগতিশীলদের মাঝে আমি কোনরকম পার্থক্য খুঁজে পাইনা।
– সেই ছোটবেলা থেকে সাপকে আমি খুব ভয় পাই। ইদানিং খেয়াল করলাম আমি যত মানুষের কাছাকাছি যাই সাপের প্রতি ভয় ততই কমে আসে।
– সুযোগ সন্ধানী মানুষদের বিশ্বাস করতে নেই, কারণ বিশ্বাসের মূল্যায়ন কিভাবে করতে হয় সেটা তারা জানেনা।
– আহাম্মকরাই শুধু খেলার মাঝখানে জিতে গেছি জিতে গেছি বলে আনন্দে লাফানো শুরু করে দেয়। বিরতির পর যে খেলায় অনেক ক্লাইমেক্স বাকি থাকে সে ব্যাপারটা আহাম্মকরা কক্ষনই বুঝে না। সেটা তারা তখন বুঝে যখন খেলা শেষে মাথা চুলকাতে চুলকাতে শৃন্য হাতে বাড়ি ফিরে।
– প্রেম বিষয়ক অনভুতি মাঝেমাঝে ভয়ানক ভাইরাস ছড়িয়ে দেয় বুকে থেকে মগজ পর্যন্ত আর মাঝেমাঝে মেডিসিনের মত কাজ করে ।
– যারা লোক দেখানো ভাল কাজ করে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য, নিজেদের ক্ষমতার দেখানো বা বাড়ানোর জন্য – তারা আর যাই হউক ভাল মানুষ হতে পারে না।
– অবুঝকে বোঝ দেয়ার সহজ উপায় হল – তার হাতে তালগাছ ধরিয়ে দিয়ে তাকে গাঁয়ের মোড়ল বানিয়ে দেয়া ।
– খারাপ লোকের সাথে সমঝোতা করতে নাই কারণ সমঝোতার পর সে আরও ভয়ানক খারাপ হয়ে উঠতে পারে ।
– কোন একটা সমাজে কোন আঁতেলকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার আগে একশবার ভেবে নিয়েন – তা না হলে পরে পস্তাতে হবে ! কারণ আঁতেলরা মাঝেমাঝে দুধকলা দিয়ে পোষা সাপের মত হয় !
– কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য কারোর মেয়ে/ছেলে বা স্বামী/স্ত্রী হওয়া কোন যোগ্যতা নয়। সেই সুত্র ধরে বলতে পারি হাসিনা বা খালেদা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য যোগ্য নন। হাসিনা খালেদার পর আসবে জয়-তারেক যুগ। সেটা চলবে আরও ৩০-৩৫ বছর। তাহলে আমি নিশ্চিন্তে বলতে পারছি আগামি ৩০-৩৫ বছরের মাঝে বাংলাদেশ কোন যোগ্য প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে না।
– মৃত্যুদণ্ড খুবই নিম্নমানের একটা শাস্তি। কারণ সেটা অপরাধীকে মুক্তি দেয় আর শাস্তি দেয় কিছু নিরপরাধ মানুষদের( যেমন- মা,বাবা,ভাই,বোন, বউ, ছেলেমেয়ে আত্মীয়স্বজন।
– চারদিকে যে হারে ফ্রাস্টেশান বাড়ছে, খুব শীঘ্রই হয়ত দেখব মানুষ আর স্বপ্ন দেখছে না, স্বপ্ন ই মানুষকে দেখা শুরু করে দিয়েছে।
– বাংলাদেশের রাজনীতি আস্তে আস্তে করে থুথু ফেলার উপযুক্ত জায়গা হয়ে উঠছে। এভাবে চললে হয়ত সেদিন আর দূরে না যেদিন পাবলিক টয়লেটের আর দরকার পড়বে না !
– যে সাংবাদিক সত্য কে মিথ্যা, মিথ্যা কে সত্য বানিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে – তার গায়ের রঙ হলুদ, তার কাপড়ের রঙ হলুদ, তার কলমের কালির রঙও হলুদ ! ইদানিং সাংবাদিকদের মাঝে লক্ষ্য করা যায় একটা প্রতিযোগিতা চলে যে – কে কতবেশি তাদের জীবনটাকে হলুদময় করে তুলতে পারে!
-বুঝাবুঝির ব্যাপারে আমার যে সমস্যা সেটা হল আমি সবসময় একটু কম বুঝি! আর কোন বিষয়ে যদি নিজ থেকে বুঝে নেই, তাহলে আমি যেটা বুঝি সেটা প্রায়ই ভুল বুঝি। তবে যেটা একবার বুঝে ফেলি সেটা খুব ভাল বুঝি !
– বন্ধুত্ব হল সেই সুতা যে সুতা দিয়া দুইটা বুককে আজীবন একটা বিন্দুতে বেঁধে রাখা যায় ।
– দিন বদলের প্রত্যাশা নিয়ে এখন আর কেউ সংগীত রচনা করে না, মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে কেউ শুনেনা জীবনের গল্প।
– মৃত্যু কলিজাটারে একদম ফোড় করে দিয়ে যায় – এভাবে একদিন অন্যদের কলিজা ফোড় করে দিয়ে আমরাও মরে যাই।
– খুব অকালে একলা হয়ে গেলে দ্বিতীয় জীবনে আর অপেক্ষা করতে হয় না। হায় দ্বিতীয় জীবন, তুমি কেন বারবার দেওয়াল ঘড়ির দিকে তাকাও?
– সীমানারও একটা সীমানা থকে। তাই জীবনে বারবার সীমানা পেরিয়েও দেখা যায় আমরা নির্দিষ্ট একটা সীমানায় আটকে পড়ে আছি।
জীবিত থেকেও বারবার মরতে চাইলে সহজ পথ হল বারবার প্রেমে পড়া ।
অতিরিক্ত টেনশন মানুষকে সন্দেহভাজন করে তোলে ।
ভীতু মানুষের ২য় বৈশিষ্ট হল তারা অন্যদের অকারনে সন্দেহ করে । ৩য় বৈশিষ্ট হল তারা নিজেরা অকারনে টেনশন করে এবং অন্যদের মাঝে সেই টেনশন বিলিয়ে দেয় ।
পৃথিবীর প্রত্যাকটি মানুষের উচিত রুটিন করে রোজ ১০০ জন কে সালাম দেয়া এবং ১০০ জনের সালামের উত্তর দেয়া । তাতে যদি মানুষের মাঝে একটু শান্তি আসে!!
হাসিমুখে বিদায় দিতে গিয়ে অনুভব করলাম চোখে জল টলমল করছে।।
– আত্নশুদ্ধির জন্য একটা ঘুম দরকার – নিরব মায়াবী একটা বাউল ঘুম।
– পাবলিক না বুঝে যখন লাফায় তখন শুধু বিরক্তই লাগে না রাগও উঠে।
– দুনিয়া যে দিক যাক সেটা তেমন ইম্পটেন্ট না, যতটা ইম্পটেন্ট নিজের কাছে নিজে অনেস্ট থাকাটা।
– সময় অদৃশ্য হওয়ার আগ পর্যন্ত নিরব থাকে, অদৃশ্য হওয়ার পরপরই চিৎকার দিয়ে জানান দেয় – তার চলে যাওয়া। আমরাও তখন আমাদের দীর্ঘশ্বাসে আমাদের চলে যাওয়া সময়কে বাঁচিয়ে রাখার অপ্রাণ চেষ্টা করি।
– মাঝেমাঝে প্রশান্তিতে নিঃশ্বাস নেয়ার জন্য বিশ্বাসের খুব প্রয়োজন পড়ে।
– ইচ্ছাই হল কোন কিছু অর্জনের প্রথম ধাপ। আর সন্তুষ্টি হল কোন কিছু অর্জনের শেষ ধাপ।
– দুষ্ট লোকেরা যখন তাদের সব দুষ্ট নীতিতে রাষ্ট্র এবং রাজনীতি প্যাঁচিয়ে ফেলে,তখন সেই প্যাঁচে ঘুরপাক খেতে খেতে প্রজাদের মাথার ঘাম পায়ে ঝরে। আর দুষ্ট লোকেরা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে ফ্যাশন শো দেখে
– যত দিন যাচ্ছে প্রজাদের স্বাভাবিক বেঁচে থাকাটা কঠিন হয়ে পড়ছে, সত্যিই কঠিন হয়ে পড়ছে! রাজারা কি সেটা বুঝতে পারছেন না ??
– সম্পর্কের মাঝে মাঝেমাঝে ঝগড়াঝাটি না থাকলে পানসে লাগে, আবার সম্পর্কের মাঝে ঝগড়াঝাটি থাকলে বিরক্ত লাগে ।
– হয়ত শব্দটা বেশ আরামদায়ক – মাঝেমাঝে বেশ আশাবাদী করে তুলে
– অপরের তিলে তাল খুঁজা লোকদের চোখে আঙুল দিয়ে গর্ত করে তাদের ভুল দেখিয়ে দিলেও, তারা সেটা দেখে না, তারা তিলে তাল খুঁজতেই থাকে।
– দুই ঠ্যাংগের ব্যাথা দুই হাত দিয়ে অনুভব করতে গিয়ে দেখি পিছনের মেরদন্ডটা বাঁকা হয়ে যাচ্ছে আর বুকের হাঁড়গুলো সোজা।
– পরস্পরের দূর্গন্ধ থেকে বাঁচতে হলে একজনকে নাক চেপে ধরতে হয় আর আরেকজনকে মুখ।
– আঙুলের ফাঁক দিয়ে গলে পড়া সস্তা অনুভুতিও একদিন মানুষকে নষ্টালজিক করে তুলে।
– পিছনে ব্যাগ ফেলে হেলেদুলে হারিয়ে যাওয়া সব বন্ধুরা ফিরছে, দৃশ্যটা আমার কাছে সবসময় লাইভ !
– আবেগপ্রবণ মানুষদের জন্য এই দুনিয়াটা তেমন সুইটেবল জায়গা না –
– রেডিমেইড হউক আর স্বরচিত হউক জীবনের একটা সংবিধান দরকার –
– হারার পর বোঝলাম জিতাটা কতটা জরুরি ছিল –
– একসময় ভাবতাম একদিন ঠিকই সবার প্রিয় হয়ে উঠব – এখন বুঝতাছি কারোর প্রিয় হওয়ার কোয়ালিটি আমার মধ্যে চরম ভাবে অনুপস্হিত
– সেই কবেই বাবা উড়াল দিলেন – এরপর থেকেই ছায়াহীন জীবন যাপন শুরু –
– হাসান সাইদ’দের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়াটা ফরজ। আর প্রশাসনের সে ফরজ পালন করাটাও ফরজ ।
– কিছুকিছু মানুষ চোখ খুলে পকেটে নিয়ে, নাকের ডগায় চশমা লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়। দিনদিন সেসব মানুষদের সংখ্যায় বাড়ছে ।
– যারা সাধারন মানুষের কথা বিন্দুমাত্র ভাবে না – যারা দেশের ভবিষ্যতের কথা বিন্দুমাত্র চিন্তিত না – তারাই দেশের কাঁধে তীর আর সাধারন মানুষের মাথায় ধনুক রেখে শিকার করে তাদের বিলাসবহুল জীবন । আফসোস তারাই আমাদের নেতা – তারাই আমাদের সরকার
– দু’বেলা দু’মুঠো ভাত চাই – সে ভাত রান্নার জন্য গ্যাস চাই।
– হাত দিয়ে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখে যদি কেউ তৃপ্তি পায় -তাহলে তার সেটাই দেখা উচিত।
যে সৃষ্টির ব্যাপারে স্রস্টার আত্নবিশ্বাস নড়বড়ে হয় সে সৃষ্টি তেমন টেকসই হয় না।
কোন শিল্পকে যদি কোন শিল্পী নির্দিষ্ট কোন গন্ডি বা নিয়মের মাঝে বেঁধে রাখতে চান, তাহলে বুঝতে হবে সে শিল্প বিষয়ে উনি এখনও পুরাপুরি শিল্পী হয়ে উঠেননি ।
গতকাল রাতে খোয়াবে স্কুল ফ্রেন্ড হারুনুর রশিদের সাথে দেখা হল – তার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা ধার নিলাম – জানি না বাস্তবে হারুনুর রশিদের সাথে জীবনে আর দেখা হবে কিনা – দোস্ত আবার খোয়াবে এসে তোর টাকাটা নিয়ে যাইস !
স্বৈরাচারীর একটা অন্যতম বৈশিষ্ট হল সে নিজের চিন্তাধারাকে অন্যের ঘাড়ে সিদ্ধান্তরুপে চাপিয়ে দিতে চায়
বাউলদের চুল দাড়ি কাটা হউক আর লিমনের পা কাটা হউক সবগুলাই নরপিশাচ রুপি মনুষ্য জানোয়ারদের কাজ –
একটি মিছিলের হুংকারে একটি দেশের ভ্রুন জন্ম নেয়ার ইতিহাস আমি জানি
তালগাছ আমার টাইপ মন মানসিকতা সম্পূর্ণ লোকজনের সাথে যুক্তি তর্কে অতিতেও কেউ কোনদিন পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। ওরা সবসময় অপরাজিত ছিল এবং থাকবে ।
যেখানে সবুজ শিশুরা ভাল নেই, যেখানে সৌখিন মায়েরা অসহায়, সেখানে আমি একজন সুখবাদী মানুষ।
পৃথিবীর সব মানুষ অসাধারন হয়ে বেঁচে থাকতে চায় বলেই হয়ত সাধারন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাটা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে।
মাঝেমাঝে এমনও হয় যে, হুট করে মরে যাওয়ার চিন্তা নিয়ে ভীষণভাবে বাঁচতে ইচ্ছা করে।
যেখানে সবুজ শিশুরা ভাল নেই, যেখানে সৌখিন মায়েরা অসহায়, সেখানে আমি একজন সুখবাদী মানুষ।
পৃথিবীর সব মানুষ অসাধারন হয়ে বেঁচে থাকতে চায় বলেই হয়ত সাধারন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাটা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে।
মাঝেমাঝে এমনও হয় যে, হুট করে মরে যাওয়ার চিন্তা নিয়ে ভীষণভাবে বাঁচতে ইচ্ছা করে।
পিছন থেকে ডাকার মানুষ সবার থাকে না। যাদের থাকে তারা কখনও নিঃসঙ্গ নয়।
জানে হয়ত কফিনও জীবিত থাকে লাশগুলো বন্ধী হওয়ার আগ পর্যন্ত ।
– প্রেম মানুষকে প্রতারনা করতে শিখায় । অথচ ভালবাসা শিখতে মানুষ প্রেমে পড়ে ।
– ভুল করতে করতে শিখলে সেটার স্হায়িত্বটা দীর্ঘ হয় ।
– সত্যের ভাত নাই তবে আঙ্গুর আপেল দুধ ডিম ঠিকি আছে । এ জন্যইতো সত্য এত শক্তিশালী ।
-ব্যর্থতা একটা পরিশ্রমী মানুষকে সফলতার আরও কাছে নিয়ে যায়
– আমি ভাল আছি বললে ভুল হবে,আবার ভাল নাই বললে সেটাও ভুল হবে ।
কিছু কিছু স্মৃতি আছে যা আমাদের জোঁকের মত আঁকড়ে ধরে বসে থাকে,আর কিছু কিছু স্মৃতি আছে যাকে আমরা জোঁকের মত আঁকড়ে ধরে বসে থাকি ।
চোখ দিয়ে সারা দুনিয়া দেখতে পারি কিন্তু নিজের মুখ দেখতে গেলে আয়নার সাহায্য নিতে হয়!!!
তৈলাক্ত মাথায় তৈল দিতে অনেক সুবিধা এবং লাভজনক ।। কারন তেলের খরচ কম হয় এবং বেশিক্ষন ডলতে হয়না ।।
কিছু কিছু মানুষ মরে গিয়ে বেঁচে যায় !আর কিছু কিছু মানুষ বেঁচে থেকেও মরে থাকে ।।
একমাত্র দক্ষ শিকারীরাই সহজে অন্যের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকার করতে পারে । আর যারা সহজে অন্যের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকার করতে পারদর্শী রাজনীতিতে তাদের ভাল করা সম্ভবনা খুব বেশি ।
গোবরে যে পদ্মফুল না হয়ে জন্মে নিজেরে পদ্মফুল ভাবিয়া অহংকার করে – তার জন্য করুণা করা ছাড়া কিছুই করার থাকেনা
যখন গ্রামে ছিলাম তখন দেখতাম সন্ধ্যাবেলায় পাখিরা সব উড়ে চলে যাচ্ছে, আর তখন গ্রামের দিকে তাকালে গ্রামটাকে বড় নিস্পাপ লাগত – তা ভেবে একটা লাইন লিখলাম –
“পাখিরা পাপ নিয়ে উড়াল দেয় প্রতি সন্ধ্যায়”
ছোটবেলা গ্রামের বাড়ির পুকুরে দেখতাম – মানুষ পুকুরে গেলে মাছেরা কচুরীপানার নীচে দৌড়ে গিয়ে লুকাচ্ছে – সেটা মনে করে একটা লাইন লিখলাম –
“কচুরিপানার নীচে মুখ গুজে বসে থাকে মাছেদের স্বপ্ন”
পাখি গান গায় না, শিস বাজায় । আর আমরা সেটাকে মিউজিক না বলে গান বলে চালিয়ে দেই ।
আমি মাটিতে শরীরের গন্ধ পাই অথচ শরীরে মাটির গন্ধ পাওয়ার কথা ছিল ।
সবচেয়ে বেশি সত্য বলার শপথ নেওয়া হয় আদালতে ।অথচ এই আদালতেই সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয়ে থাকে
আমাদের যেটা আছে সেটা নিয়ে শুকরিয়া আদায় করি একবার । আর আমাদের যেটা নেই সেটা নিয়ে আপসুস করি একশবার ।
গালিগালাজে কোন প্রকার ভাইটামিন নাই । শুধুশুধু এনারজি নষ্ট ।
যে দিন চলে যায় – সে দিনগুলো বিবর্ণ বা নিরাকার থাকলেও আমরা একসময় সেগুলোকে সাদা কালো বা রঙিন মলাটে মুড়িয়ে একটা আকার দিয়ে দেই । তারপর সেটাকে নিয়ে গল্প করি – আহা আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম ।
পথের বুকের হাঁড়েহাঁড়ে মিশে আছে পথিকের সোনালী পদচিহৃ।
কোন মানুষ যদি তার সাথে ইতরামি করার সুযোগ দেয় – তাহলে সুযোগটা কাজে লাগানোটাই ভাল । কারণ আপনি যদি কাজে না লাগান তাহলে ঐ মানুষটাই একদিন আপনাকে ইতর বলে গালি দিবে । তাই ইতরামি না করেও ইতর গালি শুনার চেয়ে ইতরামি করে ইতর গালি শুনাটা যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয় ।
তোমারা যারা মাটি হতে চাও,প্রথমে তোমরা পথিক হও ।
সব মানুষ মারা যাওয়ার পর পঁচে না,কেউ কেউ পঁচে যাওয়ার পর মারা যায় ।
কিছুকিছু সম্পর্ক আছে যেটা নতুন করে দেখিয়ে দেয় – জীবন আসলেই সুন্দর ! আর জীবনকে নতুন করে বারবার সুন্দর ভাবতে ভালই লাগে ।
আমাদের ভিতরটা যখন কষ্টে ভরপুর হয়ে উঠে তখন কিছু কষ্ট উপচে পড়ে বাহিরে চলে আসে। আমরা তার নাম দিয়েছি অশ্রু -এই অশ্রুই হলো আমাদের ভিতরের অতিরিক্ত কষ্ট ।
যে গল্পের নায়কের নাম “আমি” আর নায়িকার নাম “তুমি” থাকে সে গল্প পড়তে বড় আপন আপন লাগে ! পড়তে পড়তে কোন একসময় মনে হয় – এই গল্পটা তো আমার গল্প !
সবকিছু আছে তারপরেও কি যেন একটা নাই অনুভব করার নাম নিঃসঙ্গতা।
আমরা জীবনে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা করি সেটা হল অভিনয়। আর অভিনয় করতে গিয়ে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি করতে হয় সেটা হল মিথ্যার অনুশীলন। অভিনয় আর মিথ্যার বলয় থেকে যে নিজেকে বের করতে পারবে সেই পাবে প্রকৃত মু্ক্তির স্বাদ।
কেউ বিশ্বাস করুক আর নাই করুক আমি বলছি – প্রেমের রঙ হল সবুজ ।
খাঁচায় বন্দী পাখি যে গান গায়–সেটা মুক্তির গান।
স্বৈরাচারীরা স্বাধীন থাকে কিন্তু তারা স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে না ।।
ইচ্ছা যখন বর্তমানে থাকে উপায় তখন ভবিষ্যতে বাস করে,উপায় যখন বর্তমানে আসে তখন ইচ্ছা অতীতে চলে যায় ।
যে স্মৃতিগুলো আমরা সুখের মনে করে জমিয়ে রাখি,একসময় সেই সুখের স্মৃতিগুলোই আমাদের সবচেয়ে বেশি মন খারাপ করে দিয়ে যায় !
অতীত যতবেশি এক্সপায়ার হয় ততবেশি সুস্বাদু হয়ে উঠে ।।
ঘুমাও কিংবা জেগে থাক রাত করো জন্যে অপেক্ষা করে না ।
মাঝেমাঝে মরতে ইচ্ছে করে আবার জন্মানোর লোভে ।
আসলে জীবন কখন যে কতটুকু বদলে যায় সে খেয়ালটা বোধয় আমাদের সচরাচর থাকে না – আর যখন খেয়াল হয় তখন বদলে যাওয়ার এক নষ্টালজিক অনুভুতি আমাদের মাঝে কাজ করতে থাকে । আর ভাবি আহারে সবাই এবং সবকিছু কেমন বদলে গেছে ।
সবাই চলে যায়,কাউকে কাউকে আবার চলে যেতে হয় । আসলে আমাদের কারোরেই কাউকে ধরে রাখার ক্ষমতা নেই ।
– একটা মানুষ হঠাৎ করে অনাকাংঙ্খিতভাবে মারা গেলে সে নিজে শুধু মারা যায় না,আরো কিছু মানুষকে জীবন্ত লাশ বানিয়ে যায় !
– প্রেমে পড়ুন অথবা বই পড়ুন – মনযোগ দিয়ে পড়বেন – তাহলে কিছু একটা শিখতে পারবেন ।
– মানুষের মাঝে আলমারির মত একটা জিনিস আছে যার চারদিক ব্ল্যাকবোর্ড দিয়ে আবৃত,তার নাম ‘মন’
– পাখির শিসের বাঁকবাঁকে জীবনটাকে যারা মিশিয়ে দেয় তাদের কোন ঘর থাকেনা
– মাঝেমাঝে ভাবি এখন আর নতুন কি নিয়ে ভাবা যায় ।।
এক ভ্রাতা জিজ্ঞেস করিলেন – কেউ যদি না বুঝিয়া কাহারো লুঙ্গী টানিবার চেষ্টা করিতে যাইয়া নিজেই উলঙ্গ হইয়া ঘরে ফিরিয়া কান্নাকাটি করিয়া থাকেন, তাহাকে এক কথায় কি বলিয়া থাকে – উত্তরে আমার মুখ থেকে যে শব্দখানা বাহির হইয়াছিল – তাহা হইল “ভোদাই” ।
জীবনে অনাকাংঙ্খিত কোন ঘটনা ঘটলে – সেটা অতীত পাপের ফল -এরকম চিন্তা করাটা এক ধরনের মানসিক মূর্খতা ।
কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ঋণ শোধ করতে এসে ঋণী করে দিয়ে যায় !!
যারা অকৃতজ্ঞ তারাও মাঝেমাঝে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে – তবে তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষাটা উপকারীকে অকৃতজ্ঞ বানিয়ে ফেলে ।।
কারোর বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করার মাঝে কোনরকম ক্রেডিট নেই !!বরং এটা হল নিজের দূর্বলতা !!
স্মৃতিরা সুইচ অন ছাড়াই চারপাশে ফ্যান এর মত ঘুরঘুর করে । সুইচ অফ করার সিষ্টেমও নাই !!
গতকাল আমি যেটা করতে পারিনি,আগামীকাল আমি সেটা করতে পারব কিনা এটা নিয়ে আজ আমি চিন্তায় আছি ।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সকিছু চেক করলাম সব ঠিকঠাক আছে কিনা । সব ঠিকই আছে,হাত পা নাক কান মুখ শরীরের সব অঙ্গই জায়গামতই আছে ।তবে একজন যে আমায় বলল আমি নাকি বদলে গেছি !!!??
স্বপ্ন ভঙ্গের ব্যাথাগুলো আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখার জন্য বারবার প্রলোভন দেখায় । আমরা সেই প্রলোভনে পড়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করি । আমাদের খেয়াল থাকেনা আগামী ব্যাথাটা আমাদের বহন করার ক্ষমতা আদৌ আছে কিনা!!
আমি কিন্তু খুব কর্মট মানুষ । তবে বেকার থাকতে পছন্দ করি ।
= ভালবাসা মানে হল – অভিমান করে অপেক্ষা করা ।=
= হতাশা মানুষের ভাগ্যকে কপাল থেকে হাতের রেখায় নামিয়ে নিয়ে আসে ।=
= শুনেছি দেয়ালেরও নাকি কান আছে কয়েকদিন পর শুনব দেয়াল হল আরেক প্রজাতির মানুষ ।=
= সাপ প্রেমে পড়ার পর বিষাক্ত হয়ে উঠে । এর আগে সে বিষহীন থাকে ।=
– প্রতিদিন মনে হয় এই বুঝি শেষ,তারপর দেখি,আবার নতুন করে শুরু …।-
মাঝেমাঝে অবৈধ কাজ করার বৈধতা থাকা উচিত ছিল । কারন পৃথিবীর অধিকাংশ ফান অবৈধ জিনিসগুলোতে লুকিয়ে আছে ।
আয়না পড়লে ভাঙ্গে আর ঘুম উঠলে ভাঙ্গে ।।তাই আয়না আর ঘুমের দেখা হয়ার সম্ভবনা নাই ।
বিন্দু বিন্দু ঘুম জমতে জমতে এক সমুদ্র ঘুম চোখে জমে গেছে । ভাবছি কিছু ঘুম খুচরা বিক্রি করব আর কিছু নিলামে তুলব ।।
কাউকে বিশ্বাস করে নিজের বিশ্বাসটুকু দিয়ে দিলে খুব সহজে বোঝা যায় কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ । বাজার থেকে মুখোশ কিনে এনে পরে পরিক্ষা করে বের করতে হয় না কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ।
বোকামীকে সরলতা মনে করা এক ধরনের প্রথম শ্রেনীর বোকামী!!
ইদানিং মন খারাপের কারন খুঁজতে গিয়ে দেখি মন ভাল হয়ে যায় ।।
মন খুলে হাসতে গিয়ে দেখি মন তালা দেয়া আর চাবি গায়েব ।
বিদেশে যারা থাকে তাদের হাঁটার সময় নাই কারন তারা সবসময় দৌড়ের উপর থাকে ।
“ভালবাসি”বলার পর আর কিছু বলার অবশিষ্ট থাকে না, কথার থলেটা খালি হয়ে যায় ।
জীবন খুঁজতে খুঁজতে আমরা সবাই একদিন মূত্যুর কাছে পৌছে যাই । আর এটাই বোধয় জীবন ।
আত্নসম্মানবোধ রক্ষার্তে যদি অহংকার প্রদর্শন করতে হয় তাহলে সেটা দোষের কিছু না ।কারন সেই অহংকার আপনার পতন ডেকে আনবে না বরং আপনার ব্যাক্তিত্ব বাড়িয়ে দিবে
যারা ভাগ্য বিশ্বাস করে না তারা ভাগ্যকে মনে করে ব্যর্থতা ঢাকার সহজ পথ । আর যারা বিশ্বাস করে তারা ভাগ্যকে তাদের সফলতার প্রধান কারন হিসাবে গন্য করে ।
প্রতিদিন নতুন করে অবাক হতে হয় নতুন রুপের পুরানো মানুষ দেখে । প্রতিদিন নতুন করে অবাক হতে হয় পুরানো রুপের নতুন মানুষ দেখে ।
খুব শীঘ্রই বাংলা ব্লগের কাদা ছুড়াছুড়ি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদকে হার মানাবে । ব্লগার হিসাবে আমি লজ্জায় আনন্দিত ।
ভীতু আর দূর্বল মানুষরা পরাজয়কে সহজে মেনে নিতে পারে না ।
– দিন বদলের সুরে গাই মুক্তির গান
– আমায় বর্ণমালায় রচিত হউক দিন বদলের গান
– মিষ্টি মুখের মিষ্টি মাঝেমাঝে তিতা হয় ।।
– অতিরিক্ত ক্লান্তি মানুষকে নষ্টালজিক করে তুলে ।
– কেউ গালি দিলে বা মারলে সেটা ভুলে থাকা যায় কিন্তু কেউ কারোর আবেগ নিয়ে মসকরা করলে শত চেষ্টা করেও সেটা ভুলা যায় না ।
– চোখের সামনে হাজার হাজার প্রশ্নবোধক চিহ্ন । অবিরাম ছুটছি অগনিত প্রশ্নবোধক চিহ্ন চোখের সামনে চশমার মত ঝুলিয়ে।এই প্রশ্নবোধক চিহ্নের আগে যে বাক্যটি বেশি আসে সেটা হল “আমি কে”
– প্রত্যেকটা হারের পর একটা জিত থাকে । আমি হেরে যাওয়ার পর সেই জিতের পিছনে ছুটি ।
– সুখে থাকলে পোকে কামড়ায়।আর দুঃখে থাকলে সাপে কামড়ায়।।
– সরল অংক সরল না হয়ে এত জটিল কেন এটা খুজে বের করতে গিয়ে আমি নিজেই জটিল একটা সমস্যায় পড়ে যাই ।
– পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান লাইসেন্সের নাম হল “বিয়ে”।
ইদানিং শরীর এক জায়গায় আর মাউন্ড আরেক জায়গায় থাকে। মাউন্ড যখন সারাদিন ঘুরাঘুরি করে ক্লান্ত হয়ে রাতে শরীরের কাছে ফিরে, তখন শরীর নাক ডেকে ঘুমায়। মাউন্ড বাথরুমের লাইট অন করতে করতে বলে – শালা শরীর তুইও আমায় বুঝলি না
আমার মাঝেমাঝে মনে হয় মানুষ সুখ থেকে দুঃখটারে বেশি এনজয় করে !
কে জানে হয়ত কফিনও জীবিত থাকে লাশগুলো বন্ধী হওয়ার আগ পর্যন্ত ।
আমাদের একুশের অহংকার এত উঁচু যে – সে অহংকার মাথা তুলে দাঁড়ালে আসমানকে আরো উপরে উঠতে হয় ।
পরিচিত মানুষের অপরিচিত মুখ প্রায়ই মনে করে দেয় মানুষ একটা বিচিত্র প্রাণী
=নিজের যোগ্যতা কিংবা ক্ষমতার বাহিরে গিয়ে সাহস দেখানোটা একরকম বোকামী।=
=জীবনে সবচেয়ে বেশি যে মিথ্যা কথাটি বলেছি এবং আজীবন বলে যেতে হবে,সেটা হল”আমি ভাল আছি”।=
=নতুন করে একটা জিনিস পাওয়ার চেয়ে হারানো জিনিস খুঁজে পাওয়ার মাঝে আনন্দ বেশি।=
=ফেলে আসা সময়ের জন্যে আমরা যে সময় ব্যয় করি সে সময়ের হিসেব আমরা রাখি না।=
=যে জেনেশুনে ভুল করে তাকে সেটা শুধরানোর অনুরোধ করাটা আরও বড় ধরনের ভুল।
=অধিকাংশ মানুষ বলতে চায় কিন্তু শুনতে চায় না।যারা শুনতে চায় তারা বোঝতে চায় না ।আর যারা বোঝতে চায় তাদরকে বোঝানো সবার পক্ষে সম্ভব হয় না ।=
=ইদানিং কোন কিছু চাইতে ভয় হয় কারন যদি না পাই কিংবা যার কাছে চাইব সে যদি ফিরিয়ে দেয় -তাই মনে মনে পেয়ে গেছি চিন্তা করে নিজেকে শান্তনা দেই ।=
=পৃথিবীর lucky মানুষগুলোই শুধু দুঃখকে নিয়ে বিলাসিতা করতে পারে।=
=কেউ যদি ভালবাসে না তাহলে কষ্ট হয় । তারচেয়ে বেশি কষ্ট হয় কেউ যদি ভুলে যায় =
=ভুলে যাওয়া আর বদলে যাওয়া খুব কঠিন দুটি কাজ আর এই কঠিন কাজ দুটি কিছু কিছু মানুষ খুব সহজে করে ফেলে।
= ভালবাসা মানে হল – অভিমান করে অপেক্ষা করা ।=
= হতাশা মানুষের ভাগ্যকে কপাল থেকে হাতের রেখায় নামিয়ে নিয়ে আসে ।=
= শুনেছি দেয়ালেরও নাকি কান আছে কয়েকদিন পর শুনব দেয়াল হল আরেক প্রজাতির মানুষ ।=
= সাপ প্রেমে পড়ার পর বিষাক্ত হয়ে উঠে । এর আগে সে বিষহীন থাকে ।=
– প্রতিদিন মনে হয় এই বুঝি শেষ,তারপর দেখি,আবার নতুন করে শুরু …।
“শিক্ষায় লুকিয়ে আছে চরিত্র গঠনের মুলমন্ত্র ।কারন শিক্ষার মেরুদন্ড হল চরিত্র”।
“কেউ যদি রাজনীতিবিদ হতে চায় তার প্রশিক্ষন নেওয়া দরকার ঠিক তদ্রুপ কোন রাজনীতিবিদ যদি মানুষ হতে চায় তারও প্রশিক্ষন নেওয়া দরকার”।
“শরীরের চালক মন , মনের চালক ধন,আর ধনের চালক পরিশ্রম”!
“মানুষের সামনে টাকা,টাকার পিছে জীবন । অতএব টাকাটা সব সময় সামনেই রয়ে যায়”।
= ফেব্রুয়ারী কিংবা ফাল্গুন কোন বিষয় নয় – বিষয় হল বাংলা ভাষার জন্যে সালাম বরকতরা প্রান দিয়েছিল।=
Created with My Clipboard for Android: https://play.google.com/store/apps/details?id=com.wb.myclipboard
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন